ছেলের সামনে মা ও বোনের ল্যাংটো নাচ | Threesome Choti Golpo

Loading

ছেলেকে উত্তেজিত করার জন্য মা তার শাড়ি তুলে ছেলের সামনে লেসবিয়ান মা ও বোনের ল্যাংটো নাচ থ্রিসাম চটি গল্প অডিও তে।

মা ছেলে ও মেয়ের থ্রিসাম চটি গল্প অডিও তে শুনুন।

Ma Chele O Meyer Threesome Choti Golpo

এক গরমের দুপুরে বাড়িতে কেউ ছিল না। বাবা অফিসে চলে গেছে, দাদু বাড়ি গেছে। মা আর মেয়ে ঘরে একা। মা রেখা গাঢ় কালো রঙের শাড়ি আর ব্লাউজ পরে ছিল, তার শরীর একটু মোটা, পেছনে বিশাল কালো পাছা ঝুলছিল। মেয়ে পূজা হালকা নীল রঙের সালোয়ার কামিজ পরে ছিল, সে রোগা ফর্সা, বুকে দুদু নেই বললেই চলে।

মা রেখা বিছানায় শুয়ে ছিল, শাড়ি কোমরের উপরে তুলে কালো রেশমি শায়া পরে। মেয়ে পূজা মায়ের উপরে উঠে ৬৯ পজিশনে চলে গেল। পূজা তার সালোয়ারের নিচে হাত ঢুকিয়ে প্যান্টি সরিয়ে মায়ের গুদে জিভ ঢোকাল। মা রেখাও মেয়ের সালোয়ারের ডোরা খুলে ভেতরে হাত ঢুকিয়ে পূজার ফর্সা বালহীন গুদে জিভ ঢোকালেন।

“আহ্ মা, তোমার গুদটা এতো ঝাঁঝরা কেন?” পূজা চাটতে চাটতে বলল।

“তোর গুদটাও তো কচি ফর্সা,” মা উত্তর দিলেন, “চুষতে ভালোই লাগছে।”

ঠিক তখনই দরজায় টকটক শব্দ। ছেলে রাহুল কলেজ থেকে এসে দরজা খুলে ঢুকল। সে দেখল মা আর বোন একসাথে বিছানায় ৬৯ পজিশনে গুদ চাটাচাটি করছে। রাহুল হতবাক হয়ে গেল, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তার জিন্সের ভেতর ধোন শক্ত হয়ে উঠল।

“এ কী করছো তোমরা?” রাহুল চেঁচিয়ে উঠল।

মা রেখা ভয় পেয়ে গেলেন। ছেলে রেগে আছে, বাবাকে বলে দেবে। মা তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়ালেন। তার শরীর এখনো উত্তেজনায় কাঁপছে, কালো গুদ ভেজা, শায়ায় একটা ডাগ দেখা যাচ্ছে।

“রাহুল, প্লিজ রাগ করিস না,” মা বললেন, “আমি তোকে খুশি করছি দেখ।”

মা তার গাঢ় কালো শাড়ি কোমরে তুলে নিলেন। তার বিশাল কালো পাছা দুটো শায়ায় ফুলে উঠেছে, কোমরের নিচে কালো গুদের আদল দেখা যাচ্ছে। মা নাচতে শুরু করলেন—পাছা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে, শাড়ির আঁচল নাড়িয়ে। রাহুলের চোখ মায়ের কালো পাছায় আটকে গেল, ব্লাউজের ভেতরে বিশাল দুধগুলো ঝাঁকুনি খাচ্ছিল।

তখনই বোন পূজা বিছানায় উঠে বসল। সেও উত্তেজনায় ছটফট করছিল, সালোয়ারের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে নিজের ফর্সা গুদ মালিশ করতে লাগল। “ভাই, তুইও এসো,” পূজা বলল, “আমরা সবাই মিলে মজা করব।”

রাহুল আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সে জিন্সের চেইন খুলে হাত ভেতরে ঢুকাল, কিন্তু প্যান্ট পরেই রাখল। তার ধোন শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্যান্টের ভেতরে। মা রেখা ছেলের জিন্সের চেইন নামিয়ে ধোন হাতে নিয়ে বললেন, “বাবা, এত বড় হয়ে গেছে তোর।”

মা ছেলের ধোন মুখে নিলেন, প্যান্টের ভেতর থেকে বের করে চুষতে লাগলেন। পূজা দেখে দেখে উত্তেজিত হয়ে উঠল। সে উঠে এসে ভাইয়ের পিছনে দাঁড়াল, তার বুকে হাত বোলাতে লাগল, নিজের ছোট দুদু ভাইয়ের পিঠে ঘষতে লাগল।

মা রেখা ছেলের ধোন চুষতে লাগলেন, আর পূজা মায়ের শায়ার ভেতরে মুখ ঢুকিয়ে কালো গুদে জিভ ঢোকাল। তিনজনে ত্রিবেণী সঙ্গম করতে লাগল। রাহুল মায়ের মুখে ধোন ঢোকাচ্ছে, আর বোন মাকে চাটাচ্ছে।

কিছুক্ষণ পর রাহুল মাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। মা দুই পা ফাক করে দিলেন, কিন্তু শাড়ি আর শায়া কোমরে তুলেই রাখলেন, ব্লাউজও খোলেননি, শুধু হুকগুলো খুলে দুধগুলো বের করে দিলেন। রাহুল মায়ের কালো বালে ভর্তি গুদে ধোন ঢোকাল। একইসাথে পূজা মায়ের মুখে তার ফর্সা গুদ চেপে ধরল। মা নিচে ছেলের ধোন খাচ্ছেন, উপরে মেয়ের গুদ চাটছেন।

“আহ্ বাবা, আরো জোরে,” মা আরম্ভ করলেন, “মাকে চুদে ফেল রে। তোর বাঁড়াটা এত বড় কবে হল? আমার কালো গুদটা ভরে দে।”

রাহুল জোরে জোরে ঠাপ মারতে লাগল। মায়ের বিশাল দুধগুলো ঝুলে ঝুলে ঝাঁকুনি খাচ্ছিল, কালো পাছা দুটো উঠছিল নামছিল। পূজাও মায়ের মুখে ঘষাঘষি করতে লাগল। ঘরে শুধু শব্দ—আহ্ উহ্ চুদো চুদো।

তারপর রাহুল বোনের দিকে তাকাল। পূজা বিছানায় শুয়ে পড়ল, দুই পা তুলে ধরল, সালোয়ারটা কোমরে তুলে নিল, কিন্তু কামিজটা পরেই রাখল। রাহুল বোনের ফর্সা বালহীন গুদে ধোন ঢোকাল। মা রেখা পাশে বসে ছেলে মেয়ের চোদাচুদি দেখতে লাগলেন, হাতে নিজের কালো গুদ মালিশ করতে করতে।

“ভাই, আমার গুদটা ফাটিয়ে দে,” পূজা চেঁচিয়ে উঠল, “আরো জোরে। তোর বাঁড়াটা আমার ফর্সা ভোদায় পুরো ঢুকে গেছে।”

রাহুল বোনকে চুদতে লাগল, পূজার পাছা উঁচু করে ঠাপ মারতে লাগল। মা রেখা উঠে এসে ছেলের পিছনে জড়িয়ে ধরলেন, তার বুকে বুক ঘষতে লাগলেন, নিজের বিশাল দুধ ছেলের পিঠে ঘষতে লাগলেন। তারপর মা বোনের মুখে নিজের কালো গুদ চেপে ধরলেন, “চাট মা, চাট আমার কালো গুদটা।”

তিনজনে একসাথে মিলিত হতে লাগল। রাহুল বোনের ফর্সা গুদে ধোন ঢোকাচ্ছে, বোন মায়ের কালো গুদ চাটছে, আর মা ছেলের বুকে হাত বোলাচ্ছে। মা হাত বাড়িয়ে ছেলের পাছাটা ধরে জোরে জোরে ঠাপ মারতে সাহায্য করতে লাগলেন। ঘর গরমে আর উত্তেজনায় ভরে গেল।

শেষে রাহুল বোনের গুদেই ঝরে দিল। গরম মাল ভেতরে ঢুকে গেল। পূজা কাঁপতে কাঁপতে বলল, “ভাইয়ের মাল আমার ফর্সা গুদে ভরে গেল।”

মা রেখা হাসলেন, “আজ থেকে আমরা তিনজন মিলে রোজ চুদব। বাবা জানবে না কিছু।”

তিনজনে একসাথে বিছানায় শুয়ে পড়ল, একে অপরের শরীরে হাত বোলাতে লাগল। রাহুল এক হাতে মায়ের কালো দুধ টিপতে লাগল, আর এক হাতে বোনের ফর্সা পাছা বোলাতে লাগল। মা তার শাড়ি নামিয়ে দিলেন, কিন্তু শায়া আর ব্লাউজ পরেই রাখলেন। পূজাও সালোয়ার নামিয়ে দিল, কিন্তু কামিজটা পরেই রাখল। বাইরে সন্ধ্যা নামছিল, কিন্তু ঘরের ভেতর তাদের গরম রাত শুরু হল।