মা তার ছেলে ও মেয়ে কে চোদাচুদি শেখালেন

Loading

মা আমাদের দুই ভাই বোন কে ল্যাংটো করে চোদাচুদি শেখালেন | Ma Tar Chele O Meye Ke Chodachudi Sekhalen

Ma Chele Meye Chodachudi In Audio

গ্রামের বাড়িতে সকালের আলো জানালার পর্দা দিয়ে ঢুকছে। আমি বিছানায় শুয়ে আছি, আর মনে মনে ভাবছি গতকাল রাতের স্বপ্ন। মা আমার ঘরে ঢুকলেন, তাঁর শাড়ির আঁচল কাঁধে পড়ে আছে, ব্লাউজের বোতাম খোলা। তাঁর পরিণত স্তনগুলো অর্ধেক বেরিয়ে আছে।

“উঠো বাবা,” মা আমার কপালে চুমু দিলেন, “আজ তোমাকে আর তোমার বোনকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শেখাব।”

আমি উঠে বসলাম। মায়ের হাত ধরে উঠে দাঁড়ালাম। মা আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। তাঁর শরীরের গন্ধ মাথা ঘোরাচ্ছে। আমার ধোন শক্ত হয়ে উঠলো। মা তা বুঝতে পারলেন, হাসলেন।

“দেখো, তোমার শরীর কী বলছে,” মা আমার কানে ফিসফিস করে বললেন, “এটা স্বাভাবিক। আমি চাই তুমি আর তোমার বোন ঠিকমতো শিখো কীভাবে একে অপরকে সুখ দিতে হয়।”

বোন রানী ঘরে ঢুকলো। সে স্কার্ট পরেছে, টপ। চুল ভেজা, স্নান করে এসেছে। রানীর বয়স উনিশ, একদম কাঁচা ফল। ওর স্কার্টের নিচে লম্বা পা দুটো দেখা যাচ্ছে।

“কী শেখাবে মা?” রানী জিজ্ঞেস করলো, অবুঝ ভঙ্গিতে।

“আজ থেকে আমরা তিনজন একসাথে থাকবো,” মা বললেন, “আমি তোমাদের দেখাবো কীভাবে স্বামী-স্ত্রীর মতো আনন্দ নিতে হয়। কিন্তু এটা আমাদের মধ্যেই থাকবে, বাইরে কেউ জানবে না।”

মা আমাকে আর রানীকে ড্রইং রুমে নিয়ে গেলেন। সোফায় বসলাম। মা আমার পাশে, রানী মায়ের পাশে।

“প্রথমে কিস শেখো,” মা বললেন, “এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

মা আমার মুখ ধরে আমার ঠোঁটে ঠোঁট রাখলেন। তাঁর জিহ্বা আমার ঠোঁট ফাঁক করে ভেতরে ঢুকলো। আমি শিখে নিলাম কীভাবে জিহ্বা ঘোরাতে হয়। মা আমাকে দশ মিনিট কিস করলেন। আমার হাত তাঁর শাড়ির উপরে তাঁর পেটে ঘুরছে।

“এবার রানীর সাথে করো,” মা বললেন।

আমি বোনের দিকে তাকালাম। রানী লজ্জায় মুখ লাল। কিন্তু মায়ের নির্দেশে ও মুখ তুললো। আমি বোনের ঠোঁটে ঠোঁট রাখলাম। ওর ঠোঁট নরম, মিষ্টি। আমার জিহ্বা ওর মুখে ঢুকলো, ওর জিহ্বার সাথে লড়াই করতে লাগলো। রানী শিগগিরই উত্তেজিত হয়ে গেলো, ওর শ্বাস দ্রুত হলো।

মা দেখছিলেন, হাত বুলাচ্ছিলেন নিজের শাড়ির উপরে বুকে।

“ভালো করছো,” মা বললেন, “এবার রানী, তুমি তোমার ভাইয়ের গালে, কপালে, ঘাড়ে কিস করো।”

রানী আমার গালে চুমু দিলো। তারপর কপালে। তারপর ঘাড়ে। আমি শিউরে উঠলাম। মা হাসলেন।

“দেখো, শরীর কীভাবে সাড়া দিচ্ছে,” মা বললেন, “এবার তোমরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরো।”

আমি বোনকে জড়িয়ে ধরলাম। ওর স্কার্টের উপরে ওর পিঠে হাত বুলাচ্ছি। রানী আমার পিঠে, আমার চুলে হাত বুলাচ্ছে। আমাদের শরীর একসাথে, আমার ধোন ওর পেটে চাপ লাগছে ওর স্কার্টের কাপড়ের মাঝ দিয়ে।

মা উঠে এসে আমাদের পেছনে দাঁড়ালেন। তিনি তাঁর দুই হাত দিয়ে আমার আর রানীর বুকে ধরলেন। আমার বুকে তাঁর হাত, রানীর বুকে তাঁর অন্য হাত।

“স্তনগুলো কেমন আছে রানী?” মা জিজ্ঞেস করলেন।

“বড়ো হয়েছে মা,” রানী লজ্জায় বললো।

“দেখি,” মা বললেন।

মা রানীর টপের উপর দিয়ে ওর স্তন চাপলেন। রানী শিউরে উঠলো। মা ওর টপের কলার নিচে হাত ঢুকিয়ে স্তনে হাত দিলেন।

“বেশ বড়ো হয়েছে,” মা বললেন, “তোমার ভাইয়ের খুব কাজে লাগবে।”

আমি দেখছিলাম, আমার ধোন শক্ত হয়ে আছে প্যান্টের মধ্যে।

“তোমারও তো হয়েছে,” মা আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “দেখি কত বড়ো।”

মা আমার প্যান্টের উপর দিয়ে আমার ধোনটা ধরলেন। তাঁর হাত গরম, অভিজ্ঞ। মা আমার প্যান্টের চেইন খুললেন, হাত ভেতরে ঢুকালেন। আমার শক্ত ধোনটা তাঁর হাতে। মা তা ধরে আস্তে আস্তে ঘোরাতে লাগলেন।

“বেশ বড়ো হয়েছে তোমার,” মা বললেন, “রানী, এসো ছোঁ।”

রানী লজ্জা পেলেও মায়ের কথায় এগিয়ে এলো। মা আমার ধোন বের করে রানীর হাতে দিলেন। রানী প্রথম পুরুষাঙ্গ ছোঁয়। ওর হাত কাঁপছে। মা ওর হাত ধরে শিখিয়ে দিলেন কীভাবে ঘোরাতে হয়।

“এভাবে, আস্তে আস্তে,” মা বললেন, “দেখো কেমন শক্ত হয়ে আছে। এটা তোমার ভাইয়ের আনন্দের উৎস।”

আমি বোনের হাতে আমার ধোন অনুভব করছিলাম। ওর আঙুল নরম, কিন্তু শক্ত চাপ দিচ্ছে। মা হাত দিয়ে দেখিয়ে দিলেন কীভাবে ত্বকটা নিচে উপরে করতে হয়।

দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষে মা আমাদের ঘরে নিয়ে গেলেন। বিছানার কাছে দাঁড়িয়ে মা তাঁর শাড়ির আঁচল কোমরে ঢুকিয়ে দিলেন। তাঁর পেট দেখা যাচ্ছে, নাভি। ব্লাউজের বোতাম খোলা, ব্রা দেখা যাচ্ছে।

“এবার তোমরা শিখবে মুখ দিয়ে কীভাবে আনন্দ দিতে হয়,” মা বললেন, “এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে হবে, আর সঙ্গীকে সর্বোচ্চ আনন্দ দিতে হবে।”

মা বিছানায় শুয়ে পড়লেন, পা দুটো মেলে ধরলেন। তাঁর শাড়ি পেটের উপরে তুলে দিলেন। পেটিকোটের বাঁধন খুললেন। পেটিকোটটা নামিয়ে ফেললেন। এখন মা শুধু শাড়ি আর ব্লাউজ পরে আছেন, নিচে কিছু নেই।

“এসো, দেখো,” মা বললেন, “এটা মায়ের ভোদা।”

মা তাঁর পা ফাঁক করে ভোদাটা দেখালেন। বালে ভর্তি, গাঢ় রঙের। ভোদার ঠোঁট মোটা, অভিজ্ঞ। মা আঙুল দিয়ে স্পর্শ করলেন, ভোদার মুখটা ফাঁক করে দেখালেন ভেতরটা গোলাপি।

“তোমার বোনেরও আছে, তোমার বাবারও খুব পছন্দ ছিলো,” মা বললেন, “এবার তুমি চোষো। জিহ্বা দিয়ে চাটো, আঙুল ঢোকাও।”

আমি মায়ের পায়ের কাছে বসলাম। মা তাঁর ভোদা আমার মুখের কাছে ঠেলে দিলেন। আমি প্রথম গন্ধ পেলাম, মিষ্টি গন্ধ। আমি জিহ্বা বের করে ভোদার ঠোঁটে চাটতে শুরু করলাম।

“উম্ম্… ভালো,” মা আহ্ করলেন, “এভাবে চালাও।”

আমি চাটতে লাগলাম। মা তাঁর হাত দিয়ে আমার মাথা চাপড়াচ্ছেন, আমাকে নির্দেশ দিচ্ছেন কোথায় চাটতে হবে। আমি উপরের দিকে চাটলাম, ক্লিটোরিসটা খুঁজে পেলাম। মা শিউরে উঠলেন।

“সেখানে, হ্যাঁ, সেখানে চোষো,” মা বললেন।

আমি সেই ছোট্ট গোলকটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। মা উহ্ উহ্ করে আওয়াজ করতে লাগলেন। আমার জিহ্বা ঘুরছে, মা পাগল হয়ে যাচ্ছেন।

“এবার আঙুল ঢোকাও,” মা বললেন, “দুটো আঙুল, আস্তে।”

আমি আমার দুটো আঙুল মায়ের ভোদায় ঢুকিয়ে দিলাম। ভেতরটা গরম, ভেজা। আমি আঙুল ঘোরাতে লাগলাম, আর জিহ্বা দিয়ে চাটতে লাগলাম ক্লিটোরিস। মা কাঁপতে শুরু করলেন, তাঁর পা দুটো আমার কাঁধে চেপে ধরলেন।

“আহ্… আহ্… বাবা, তুমি দারুন করছো,” মা চিৎকার করে উঠলেন, “থামো না, থামো না…”

আমি চুষতে লাগলাম আরো জোরে। মা একটা শীতকার করে উঠলেন, তাঁর শরীর শক্ত হয়ে গেলো, ভোদাটা আমার আঙুলে চেপে ধরলো। মা অর্গাজমে পৌঁছে গেলেন।

কিছুক্ষণ পরে মা শান্ত হলেন। উঠে বসলেন, আমার মুখ ধরে আমার ঠোঁটে ঠোঁট রাখলেন। তাঁর নিজের রসে ভেজা ঠোঁট।

“এবার রানীকে করো,” মা বললেন।

রানী বিছানায় উঠলো। মা ওর স্কার্টটা কোমর পর্যন্ত তুলে দিলেন। রানীর প্যান্টি দেখা যাচ্ছে, সাদা রঙের। মা ওর প্যান্টিটা নামিয়ে দিলেন। রানীর গুদটা দেখা গেলো, কচি, বাল কম, গোলাপি ঠোঁট।

“তোমার বোনের কচি গুদ,” মা বললেন, “আস্তে চোষো, ওর বয়স কম।”

আমি বোনের পায়ের কাছে বসলাম। রানী লজ্জায় মুখ ঢাকছে। মা ওর হাত সরিয়ে দিলেন।

“দেখো, তোমার ভাই তোমাকে কত ভালোবাসে,” মা বললেন।

আমি বোনের গুদে মুখ নামালাম। ওর গন্ধ আলাদা, তাজা, কচি। আমি জিহ্বা দিয়ে চাটলাম। রানী শিউরে উঠলো, ওর গুদ কাঁপছে।

“উম্ম্… ভাইয়া,” রানী ফিসফিস করে বললো।

আমি চাটতে লাগলাম। রানীর ক্লিটোরিসটা ছোট, লুকিয়ে আছে। আমি খুঁজে বের করে চুষতে লাগলাম। রানী কাঁপতে শুরু করলো, ওর হাত আমার মাথায় চাপ দিচ্ছে।

মা পাশে বসে দেখছিলেন, হাত নিজের ভোদায় ঢুকিয়ে আঙুল ঘোরাচ্ছেন।

“আঙুল ঢোকাও,” মা বললেন, “ওর ভেতরটা দেখো কত টাইট।”

আমি একটা আঙুল রানীর গুদে ঢুকালাম। সত্যিই টাইট, গরম, ভেজা। রানী আহ্ করে উঠলো। আমি আঙুল ঘোরাতে লাগলাম আর জিহ্বা দিয়ে চাটতে লাগলাম ক্লিটোরিস। রানী পাগল হয়ে গেলো, ওর শরীর উঠবস করছে।

“আহ্… আহ্… মা… ভাইয়া… আমি… আমি…” রানী গোঙাতে লাগলো।

হঠাৎ রানী শক্ত হয়ে গেলো, ওর গুদটা আমার আঙুলে চেপে ধরলো, আমি অনুভব করলাম ওর ভেতরে কাঁপুনি। রানী অর্গাজমে পৌঁছে গেলো।

মা হাসলেন, “দারুন। এবার রানী, তুমি তোমার ভাইয়ের ধোন চোষো।”

রানী শুয়ে থাকা অবস্থায় উঠে বসলো। আমি দাঁড়ালাম, প্যান্ট খুলে ফেললাম। আমার ধোন শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, বড়ো, লাল। রানী প্রথম দেখলো, চোখ বড়ো বড়ো।

“মুখে নাও,” মা বললেন, “জিহ্বা দিয়ে চাটো, চুষো।”

রানী আমার ধোনটা হাতে নিলো। ওর হাত নরম, কাঁপছে। মা ওর হাত ধরে নিয়ে আমার ধোনের কাছে নিলেন, ওর ঠোঁটে ঠেকালেন। রানী মুখ খুললো, আমার ধোনের মুন্ডিটা মুখে নিলো।

“উম্ম্…” রানী চোষতে শুরু করলো।

ওর মুখ গরম, জিহ্বা নরম। মা দেখিয়ে দিলেন কীভাবে উপর নিচে করতে হয়, কীভাবে জিহ্বা দিয়ে চাটতে হয়। রানী শিখে নিলো দ্রুত। আমি অনুভব করছিলাম ওর মুখের ভেতরে আমার ধোন ঢুকছে বেরোচ্ছে।

“গলা পর্যন্ত নাও,” মা বললেন, “শ্বাস বন্ধ করে রাখো, ঢোকাও।”

রানী চেষ্টা করলো, কয়েকবার কাশলো, কিন্তু শিখে নিলো। আমার ধোন ওর গলা পর্যন্ত ঢুকলো। আমি শিউরে উঠলাম, আনন্দে।

মা পাশে বসে আমার বলগুলো হাতে নিয়ে চাপড়াচ্ছেন, “বীর্য তৈরি হচ্ছে, দেখো কত বড়ো হয়ে গেছে।”

আমি রানীর মুখে ঠাপ দিতে লাগলাম। রানী চোষছে, জিহ্বা ঘোরাচ্ছে। আমি অনুভব করলাম আমার বীর্য বেরোতে চাইছে।

“থামো,” মা বললেন, “বীর্য বেরোবে না এখন। রাতে বেরোবে, মায়ের ভোদায়।”

রানী মুখ সরালো, আমার ধোন লাল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, ভেজা রানীর লালায়।

“এবার মা চোষে,” মা বললেন।

মা আমার ধোনটা হাতে নিলেন, ওর অভিজ্ঞ মুখে নিলেন। মা দ্রুত চোষতে লাগলেন, জিহ্বা ঘোরাচ্ছেন, আমার বলগুলো হাতে নিয়ে চাপড়াচ্ছেন। আমি পাগল হয়ে গেলাম, মায়ের মুখের ভেতর আমার ধোন ঢুকছে বেরোচ্ছে।

“মা… আমি বেরোতে চাইছে…” আমি বললাম।

“না,” মা মুখ সরিয়ে বললেন, “সন্ধ্যা পর্যন্ত রাখো। রাতে তোমার বোনকে চুদবে, আমাকেও।”

রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে মা আমাদের ঘরে নিয়ে গেলেন। তিনটে তোয়ালে দিলেন, আমরা তিনজনে গোসল সেরে এলাম। মা শুধু শাড়ি পরলেন, নিচে পেটিকোট নেই, ব্লাউজ পরলেন কিন্তু ব্রা নেই। রানী শুধু স্কার্ট পরলো, টপ পরলো কিন্তু ব্রা আর প্যান্টি নেই। আমি শুধু একটা লুঙ্গি পরলাম, নিচে কিছু নেই।

“এবার রাতের আসল আনন্দ,” মা বিছানায় শুয়ে বললেন, “তোমরা একে অপরকে সম্পূর্ণ নেবে।”

মা রানীকে ডাকলেন, “এসো মা, তোমার ভাইয়ের ধোনে বসো।”

রানী বিছানায় উঠলো, আমার উপরে উঠলো। মা আমার লুঙ্গি খুলে দিলেন, আমার ধোন শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মা রানীর স্কার্ট তুলে দিলেন, ওর কচি গুদটা দেখা গেলো।

“আস্তে বসো,” মা বললেন, “প্রথমবার ব্যথা হবে, তারপর আনন্দ হবে।”

রানী আমার ধোনের উপর ওর গুদ রাখলো। মা হাত দিয়ে আমার ধোন ধরে রানীর গুদের মুখে ঠেকালেন। রানী আস্তে নিচে বসলো। আমার ধোন ওর গুদে ঢুকতে শুরু করলো।

“আহ্… ব্যথা করছে মা…” রানী বললো।

“সহ্য করো মা,” মা বললেন, “একবার ঢুকলে আর ব্যথা লাগবে না।”

রানী নিচে বসলো, আমার ধোন সম্পূর্ণ ওর গুদে ঢুকে গেলো। রানী কাঁপছে, ওর চোখে জল। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে ও নড়াচড়া শুরু করলো, আনন্দের আওয়াজ বেরোতে লাগলো।

“উম্ম্… ভাইয়া… ভালো লাগছে…” রানী বললো।

“এবার উপর নিচে করো,” মা বললেন।

রানী নাচতে লাগলো আমার উপর। ওর স্কার্ট উড়ছে, ওর স্তন দুটো ওর টপের নিচে লাফাচ্ছে। আমি ওর স্কার্টের নিচে হাত ঢুকিয়ে ওর নগ্ন পাছাটা ধরলাম, চাপড়াতে লাগলাম।

মা পাশে শুয়ে দেখছিলেন, হাত নিজের ভোদায় ঢুকিয়ে আঙুল ঘোরাচ্ছেন। তাঁর শাড়ি পেটের উপরে উঠে গেছে, তাঁর বালে ভর্তি ভোদা দেখা যাচ্ছে।

“তোমার বোনের গুদ কেমন লাগছে?” মা জিজ্ঞেস করলেন।

“গরম, টাইট,” আমি বললাম, “আহ্…”

আমি রানীকে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। রানী চিৎকার করে উঠলো, “আহ্… ভাইয়া… আমি যাচ্ছি… আমি…”

রানী শক্ত হয়ে গেলো, ওর গুদ আমার ধোনে চেপে ধরলো, ওর ভেতরে কাঁপুনি। রানী অর্গাজমে পৌঁছে গেলো। কিন্তু আমি থামলাম না, আমি ঠাপাতে লাগলাম আরো জোরে।

“আমারও পালা,” মা বললেন।

রানী উঠে গেলো, আমার ধোন রানীর রসে ভেজা, লাল। মা উঠে এলেন, তাঁর শাড়ি তুলে দিলেন, তাঁর বালে ভর্তি ভোদাটা আমার ধোনের কাছে নিয়ে এলেন।

“মায়ের অভিজ্ঞ ভোদায় আসো,” মা বললেন, “দেখো কত গভীর।”

মা আমার উপর বসলেন, তাঁর হাতে আমার ধোন ধরে তাঁর ভোদায় ঢুকিয়ে দিলেন। মায়ের ভোদা আলাদা, ঢিলা কিন্তু গভীর, গরম, ভেজা। মা নিচে বসলেন, আমার ধোন সম্পূর্ণ তাঁর ভেতরে ঢুকে গেলো।

“আহ্… বাবা… তোমার ধোন বড়ো হয়েছে,” মা বললেন।

মা নাচতে লাগলেন। তাঁর শাড়ি ওপর নিচে হচ্ছে, তাঁর স্তন দুটো ব্লাউজের নিচে লাফাচ্ছে। আমি তাঁর ব্লাউজের বোতাম খুলে দিলাম, তাঁর স্তন দুটো বেরিয়ে এলো, বড়ো, গোল, বোঁটা কালো। আমি হাত দিয়ে চাপড়াতে লাগলাম।

রানী পাশে শুয়ে দেখছিলো, হাত নিজের গুদে ঢুকিয়ে আঙুল ঘোরাচ্ছিলো।

“এবার দুজনকে একসাথে চুদবে,” মা বললেন, থামলেন।

মা উঠে গেলেন, রানীকে ডাকলেন। “এসো, তোমরা দুজনে একসাথে শুও, পাশাপাশি।”

রানী আর মা পাশাপাশি শুয়ে পড়লেন, পা দুটো মেলে ধরলেন। দুটো ভোদা দেখা যাচ্ছে, একটা কচি গোলাপি, একটা পরিণত বালে ভর্তি। মা রানীর গুদে আঙুল ঢুকিয়ে ঘোরাচ্ছেন।

“আমাকে চুদো,” মা বললেন, “তারপর রানীকে, আবার আমাকে। একবারে একজনকে চুদো, বীর্য বেরোবার আগে অন্যজনকে চুদো।”

আমি মায়ের কাছে গেলাম, তাঁর ভোদায় ধোন ঢুকিয়ে ঠাপাতে লাগলাম। মা চিৎকার করে উঠলেন, “আহ্… হ্যাঁ… এভাবে… জোরে…”

আমি মাকে দশ মিনিট ঠাপালাম। তারপর বের করে রানীর কাছে গেলাম, ওর কচি গুদে ঢুকিয়ে ঠাপাতে লাগলাম। রানী চিৎকার করে উঠলো, “আহ্… ভাইয়া… ভালো…”

আমি রানীকে পাঁচ মিনিট ঠাপালাম, তারপর আবার মায়ের কাছে গেলাম। এভাবে আমি দুজনকে বদলে বদলে চুদতে লাগলাম। দুজনেই আনন্দে চিৎকার করছে, গোঙাচ্ছে।

“এবার বেরোবে,” মা বললেন, “আমাদের মুখে বেরোবে, আমরা দুজনে চুষবো।”

আমি বের করে দাঁড়ালাম। মা আর রানী উঠে বসলেন, মুখ আমার ধোনের কাছে নিয়ে এলেন। মা একটা বল চুষতে লাগলেন, রানী আমার ধোন চুষতে লাগলো। দুজনে একসাথে চোষছে, জিহ্বা ঘোরাচ্ছে।

“বেরোতে চাইছে…” আমি বললাম।

“মুখে বের কর,” মা বললেন, “আমরা খাবো।”

আমি শিউরে উঠলাম, আমার বীর্য বেরিয়ে এলো। প্রথমে রানীর মুখে, তারপর মায়ের মুখে। দুজনে চুষতে লাগলো, বীর্য খেতে লাগলো। আমি অনেক বীর্য বের করলাম, দুজনের মুখ ভর্তি হলো।

মা আর রানী একে অপরের মুখে কিস করলেন, বীর্য বদল করলেন। তারপর মা আমাকে জড়িয়ে ধরলেন, রানীও জড়িয়ে ধরলো। আমরা তিনজনে একসাথে শুয়ে পড়লাম, একে অপরকে জড়িয়ে ধরে।

“আজ থেকে প্রতিদিন এভাবে করবো,” মা বললেন, “সকালে কিস, দুপুরে চোষাচুষি, রাতে চোদাচুদি। এটাই আমাদের পরিবারের গোপন আনন্দ।”

আমরা তিনজনে একসাথে ঘুমিয়ে পড়লাম, একে অপরের শরীরে হাত রেখে, সুখী, পরিতৃপ্ত।